Download

Distance

30.19 mi

Elevation gain

6,729 ft

Technical difficulty

Very difficult

Elevation loss

5,771 ft

Max elevation

2,838 ft

Trailrank

28

Min elevation

353 ft

Trail type

One Way
  • Photo of Maikoa Para - Lagpai para - Nasai / Ngasai Hung Summit
  • Photo of Maikoa Para - Lagpai para - Nasai / Ngasai Hung Summit
  • Photo of Maikoa Para - Lagpai para - Nasai / Ngasai Hung Summit

Coordinates

1030

Uploaded

September 12, 2021

Recorded

September 2021
Be the first to clap
Share
-
-
2,838 ft
353 ft
30.19 mi

Viewed 75 times, downloaded 8 times

near Sama, Chittagong (Bangladesh)

চাইম্প্র‍্যা ঝিরি থেকে প্রচুর মাছ নিয়ে বাড়িতে ফিরে এসে দেখি এক বিখ্যাত লোক আমাদের জন্য অপেক্ষা করে বসে আছেন। বান্দরবানের সব গাইডদের- গাইড বলা হয় যাকে, নাসাই হুং / ঙাসাই হুং / Ngasai hung/ হাতি পাহাড়/ মদকতংয়ের অভিযানের নায়ক পাসিং ম্রোং দাদা বসে আছেন। ঙাসাইহুং চূড়া সামিট হয়েছে মাত্র একবার। সেবার ঙসাইহুংয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন এই পাসিং ম্রোং দাদা। অবশ্য দাদা প্রথমে পিছপা হয়ে সামিট না করার সিদ্ধান্ত নিলেও পরবর্তীতে সেই বিখ্যাত বাক্য "আমি যাবে!" বলে আবার সামিটের পথে দলের সাথে যোগ দেন। ডি ওয়েরআকাশ, মাইনুল, শুভ, আজিজ ভাইদের সাথে উনার নামটা তেমন উচ্চারিত হয় না। পাসিং ম্রোং দাদা অনেক সিনিয়র একজন গাইড। তরুন বয়সটা পার হয়ে গেছে। ঢাকায় থাকেন, চাকরি করেন। চাইম্প্রা ঝিরির মাছ কুটতে কুটতে অনেক আড্ডা হলো দাদার সাথে। প্রসঙ্গ ঐ দূরের নাসাইহুং পাহাড়। সেখানের চূড়ায় এখন নাসাকা বাহিনীর ক্যাম্প। এছাড়া ঐদিকের বর্ডারের পুরোটা জুড়েই নো ম্যানস ল্যান্ডের কাছ ঘেষে টহল দেয়ার রাস্তা আছে মায়ানমারের। সীমান্তের ঐদিকটায় রিজার্ভ ফরেস্টে লাগপাই পাড়া। এখনো মানুষের আনাগোনা কম থাকায় আশেপাশের এলাকাটা পুরোটাই বুনো রয়ে গেছে বলা যায়। এই লাগপাই পাড়াই নাসাইহুংয়ের বেইজক্যাম্প বলা যায়। অবশ্য নাসাইহুংয়ের কাছাকাছি নতুন আরেকটা পাড়া হয়েছে। এই ভয়ংকর বন্য এলাকায় বিপদ এখানে বাহারি পসরা সাজিয়ে অপেক্ষা করে কেউ আসবে সেই অপেক্ষায়। বাংলাদেশের সর্বদক্ষিন পূর্বের এই পাহাড়ে আছে বিরাট অজগর ও শত শত প্রজাতির বিষাক্ত সাপ। প্রায়ই ভাল্লুক আর পাহাড়ি বাঘের ভয়ংকর আক্রমণের কথা শোনা যায়। আরও আছে দলবদ্ধ বন্য হাতির বিচরণ। অনুপ্রবেশকারী আমাদেরকে পেলে আপাতদৃষ্টিতে শান্ত মনে হওয়া হাতিরা হঠাৎই হিংস্র হয়ে উঠতে পারে। সবচেয়ে বড় আশংকার কথা হল, নাসাইহুং সংলগ্ন সীমান্তে নন ডিসপোজবল মরণঘাতী ল্যান্ডমাইন আছে। রক্ত মাংসের প্রাণির পায়ের নিচে পড়ার জন্য বছরের পর বছর ধরে সে অপেক্ষা করে আছে। নাসাইহুং থেকে মাত্র তিন দিন হাঁটা পথের দূরত্বে ছিলাম আমরা। দাদাও লকডাউনের লম্বা ছুটি কাটাচ্ছেন। একবার ভাবসিলাম হাঁটা শুরু করবো নাকি! দাদাকে বলতেই বললেন.. চলেন যাই!! আমার অবশ্য প্রস্তুতি ছিল না একদমই। দাদার কাছ থেকে রুট সমন্ধে আইডিয়া নিলাম। আর একটা ডেট দিলাম। দাদা ব্যাগ গুছিয়ে রাখতে বললেন। আমি আর কি বলব! একটা চেষ্টা তো করে দেখাই যায়। জানি এ সুযোগ দ্বিতীয়বার আসবে না..

Comments

    You can or this trail